Saturday, August 24, 2024

 Ammonium Chloride Inorganic Sample Salt

Identification of Inorganic sample salt Ammonium Chloride

অজ্ঞাত অজৈব নমুনার অ্যাসিড এবং ক্ষারকীয় মূলকের শনাক্তকরন

নমুনা নং – I1




নমুনার ভৌত ধর্মঃ-

অবস্থা –  কঠিন কেলাসাকার,
বর্ণ – সাদা,
গন্ধ – গন্ধ হীন,
দ্রাব্যতা – ঠাণ্ডা জলে দ্রাব্য,





অ্যাসিড মূলকের শুষ্ক পরীক্ষাঃ –

পরীক্ষা (Experiment)

পর্যবেক্ষণ(observation)

সিধান্ত (Inference)

1.শুষ্ক টেস্টটিউবে কঠিন নমুনার একাংশ নিয়ে লঘু H2SO4 সহ যোগে উত্তপ্ত করা হল।1.বর্ণহীন বা বর্ণযুক্ত কোন গ্যাস বের হল না ।1.CO32-  বা S2- মূলক অনুপস্থিত ।
2. .শুষ্ক টেস্টটিউবে কঠিন নমুনার একাংশ নিয়ে গাঢ় H2SO4  যোগে উত্তপ্ত করা হল ।2. ঝাঁজালো গন্ধযুক্ত গ্যাস নির্গত হয় যাতে NH4OH সিক্ত কাঁচ দন্ড ধরলে সাদ ধোঁয়া সৃষ্টি হয়।2.  Cl– মূলক থাকতে পারে।

ক্ষারকীয় মূলকের শুষ্ক পরীক্ষাঃ –

পরীক্ষা (Experiment)

পর্যবেক্ষণ (observation)

সিধান্ত (Inference)

1. উত্তাপন পরীক্ষাঃ একটি শুষ্ক পরীক্ষানলে প্রায় 0.2 গ্রাম নমুনা নিয়ে তীব্রভাবে উত্তপ্ত করা হল।1. নমুনাটি গলে যাবার পর ঝাঁজালো গন্ধযুক্ত গ্যাস নির্গত হয় যা সিক্ত লাল লিটমাস কাগজ কে নীল করে।1.  NH4 মূলক থাকতে পারে।
2. একটি শুষ্ক পরীক্ষানলে প্রায় 0.2 গ্রাম নমুনার সঙ্গে প্রায় 0.5 গ্রাম CaO যোগ করে উত্তপ্ত করা হল।2. ঝাঁজালো গন্ধযুক্ত NH3 গ্যাস নির্গত হয় যা সিক্ত লাল লিটমাস কাগজ কে নীল করে।2.  NH4 মূলক থাকতে পারে।
3. শিখা পরীক্ষাঃ-  পরিষ্কার একটি  Pt তারকে ঘন HCl এ ডুবিয়ে নিয়ে পরীক্ষণীয় নমুনাতে স্পর্শ করে জারণ শিখায় উত্তপ্ত করা হল।3. শিখার বর্নের কোনো পরিবর্তন হল না।3. NH4 মূলক থাকতে পারে।

দ্রবন প্রস্তুতিঃ-

নমুনাটির কিছু অংশ একটি বিকারে নিয়ে তার সাথে পাতিত জল যোগ করে দ্রবন প্রস্তুত করা হল এবং তা নিয়ে নিম্নলিখিত সিক্ত পরীক্ষা গুলি করা হল –

নমুনার অ্যাসিড মূলকের সিক্ত পরীক্ষাঃ –

পরীক্ষা (Experiment)

পর্যবেক্ষণ (observation)

সিধান্ত (Inference)

1. নমুনার জলীয় দ্রবণকে লঘু HNO3 দিয়ে আম্লিক করে AgNO3 দ্রবন যোগ করা হল।1. সাদা আধঃক্ষেপ পাওয়া গেল, যা  NH4OH দ্রবনে দ্রাব্য।1. নিশ্চিত ভাবে Cl– মূলক উপস্থিত।

# প্রদত্ত নমুনাটিতে নিশ্চিত ভাবে Cl মূলক উপস্থিত।

নমুনার ক্ষারকীয় মূলকের সিক্ত পরীক্ষাঃ –

পরীক্ষা (Experiment)

পর্যবেক্ষণ (observation)

সিধান্ত (Inference)

1. নমুনার জলীয় দ্রবণ নিয়ে তাতে নেসলার  দ্রবন যোগ করা হল1. লালচে বাদামী বর্নের অধঃক্ষেপ পাওয়া যায়।1. নিশ্চিত ভাবে  NH4+  মূলক উপস্থিত।

# প্রদত্ত নমুনাটিতে নিশ্চিত ভাবে NH4+  মূলক উপস্থিত।

মন্তব্যঃ-  প্রদত্ত I1  চিহ্নিত নমুনাটিতে ক্ষারকীয় মূলক রুপে NH4+  এবং অ্যাসিড মূলক রুপে Cl  উপস্থিত আছে। অতএব নমুনাটি হল অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড  NHCl ।   

DOWNLOAD PDF

 Redox Titration, Mohr Salt solution Vs Potassium permanganate solution



প্রমাণ (N/10) মোর লবনের দ্রবনের সাহায্যে অজ্ঞাত মাত্রার  KMnO4 দ্রবনের মাত্রা নির্নয়:

প্রদত্ত প্রমান মাত্রার মোর লবনের দ্রবনের সাহায্যে  KMnO4 দ্রবনের প্রতি লিটারে কত গ্রাম KMnO4  আছে তা নির্নয়ঃ

এ ক্ষেত্রে পরিষ্কার বুরেটে অজ্ঞাত মাত্রার  KMnOদ্রবণ নেওয়া হয় এবং কনিক্যাল ফ্লাস্কে 25 ml মোর লবনের দ্রবন নিয়ে ট্রাইটেশন করা হয়। প্রশমন ক্ষনে দ্রবণের বর্ন বর্নহীন থেকে হালকা বেগুনী হয়।

প্রদত্ত প্রমান মোর লবনের দ্রবনের দ্রবণের মাত্রা (S1) =  (  )

ব্যাবহৃত নির্দেশকের নাম –  এ ক্ষেত্রে  KMnO4 দ্রবন স্বয়ং নির্দেশকের ভূমিকা পালন করে।

প্রশমন ক্ষনে বর্নের পরিবর্তন – বর্নহীন থেকে হালকা বেগুনী।

পরীক্ষায় প্রাপ্ত ফলাফলঃ

পর্যবেক্ষন সংখ্যা

পিপেট দ্বারা নেওয়া মোর লবনের দ্রবণের আয়াতন (V2)বুরেটের প্রাথমিক পাঠবুরেটের অন্তিম পাঠKMnO4 দ্রবনের আয়াতনKMnO4 দ্রবনের গড় আয়াতন (V1)

1.

25 ml025.225.2 ml 
2.25 ml02525 ml

25.1 ml

3.25 ml025.125.1 ml

 

        গননা (Calculation):

আমরা জানি,    V1 S1 = V2 S2               যেখানে, V1 = KMnO4 দ্রবনের আয়াতন।

S1 = KMnO4 দ্রবনের মাত্রা।
V2 = মোর লবনের দ্রবণের আয়াতন।
S2 = মোর লবনের দ্রবণের মাত্রা।

KMnO4 দ্রবণের মাত্রা (S1) =   =  =0.096 (N)

দ্রবনে KMnO4 এর পরিমাণ = ( 0.096 × 31.6 ) gm/Lit. = 3.035 gm/Lit.  [KMnO  এর তুল্যাঙ্ক ভার = 31.6  ]

অতএব KMnO4 দ্রবনে KMnO4 এর পরিমান 3.035 গ্রাম / লিটার।


DOWNLOAD PDF


 Ferric Hydroxide sol preparation



ফেরিক ক্লোরাইড দ্রবণ ব্যবহার করে ফেরিক হাইড্রোক্সাইড সল প্রস্তুতি করন:


তত্ত্ব: যেহেতু ফেরিক হাইড্রোক্সাইড হলো একটি জল বিকর্ষী সল, তাই একে সহজে প্রস্তুত করা যায় না। সাধারণত পেপটাইজেশন পদ্ধতি দ্বারা এই সল প্রস্তুত করা হয়। ফেরিক ক্লোরাইড এর আর্দ্র বিশ্লেষণ দ্বারা ফলে ফেরিক হাইড্রোক্সাইড সল প্রস্তুত করা হয়।
পদ্ধতিঃ  একটি 250 ml বিকারে 100 ml পাতিত জলে 2 গ্রাম ফেরিক ক্লোরাইড যোগ করে ভালোভাবে কাচ  দন্ডের সাহায্যে নাড়িয়ে প্রথমে দ্রবণ প্রস্তুত করা হলো। এরপর 250 ml  বিকারে 100 ml  পাতিত জল নিয়ে বুনসেন বার্নারের সাহায্যে ফোটানো  হলো। এই ফুটন্ত জলের মধ্যে ড্রপার এর সাহায্যে ফেরিক ক্লোরাইড দ্রবণটি কে ফোটা ফোটা করে যোগ করা হলো যতক্ষণ না পর্যন্ত ফেরিক ক্লোরাইড আদ্রবিশ্লেষিত হয়ে লালচে বাদামি বর্ণের ফেরিক হাইড্রোক্সাইড এ পরিণত হয়। যে পরিমাণ জল বাষ্পীভূত হয়ে যায় সেই পরিমাণ জল যোগ করা হলো. এরপর মিশ্রণটিকে ঘরের উষ্ণতায় শীতল করার পর ঝিল্লি বিশ্লেষণ পদ্ধতিতে উৎপন্ন HCl কে পৃথক করে ফেরিক হাইড্রোক্সাইড সল প্রস্তুত করা হলো।  এইভাবে প্রাপ্ত ফেরিক হাইড্রোক্সাইড সলটি কে জমা করা হলো .

DOWNLOAD PDF

Saturday, May 7, 2016

Online টাকা রোজগারের সঠিক ও বিশ্বাস যোগ্য উপায় ।।

Nandalal Sarkar (নন্দলাল সরকার)   (Date - 25/05/2015)

ফ্রিল্যান্সিং বা মুক্তপেশা কি?

এক কথায় স্বাধীন ভাবে আউটসোর্সিং এর কাজই হল ফ্রিল্যান্সিং বা মুক্তপেশা। বর্তমান কালে ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে আয়ের এক বিপুল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। উদ্যমী ও পরিশ্রমী তরুণ তরুণীরা ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে অনলাইনে প্রচুর পরিমানে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। তবে ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে আয়ের বা রোজগারের অন্যতম শর্ত হল কঠিন পরিশ্রম, কাজকরার মানসিকতা এবং দক্ষতা। যদি কারো এই গুণ গুলি বর্তমান থাকে তা হলে সঠিক দিকনির্দেশনা (Guideline) অনুসরণের মাধ্যমে তার সামনে খুলে যেতে পারে আয়ের এক সুবৃহৎ পথ। তবে ইন্টারনেট থেকে বা অনলাইনে আয় করতে হলে, আপনার অতি অবশ্যই একটি কম্পিউটার এবং তাতে ইন্টারনেটের সংযোগ থাকতে হবে। অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের কাজ পাওয়া যায়, আর সেই কাজগুলি স্বাধীনভাবে বাড়িতে বসে করাই হল ফ্রিল্যান্সিং বা মুক্তপেশা। যারা এই কাজগুলি করেন তাদের বলা হয় ফ্রিল্যান্সার। ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে আয়ের ক্ষেত্রে অনেকগুলি সুবিধা আছে। যেমন, বাস্তব জীবনে অধিকাংশ কাজের জন্য সময়মতো অফিসে যেতে হয়। এ ছাড়া এই সমস্ত কাজের জন্য শিক্ষা এবং অভিজ্ঞতা সম্বন্ধীয় সর্টিফিকেটের প্রয়োজন হয়। কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং job এর জন্য কোনো সার্টিফিকেটের প্রয়োজন হয় না, শুধু দরকার দক্ষতা এবং পরিশ্রম করার মনসিকতা। তাছাড়া এইফ্রিল্যান্সিং job এর জন্য কোনো অফিসেরও প্রয়োজন নেই, বাড়িতা বসেই কাজগুলি করা যায়। তাই বাড়ির মেয়েরা বা গৃহবধূরা অনায়াসে কাজ গুলি করতে পারেন।
কি কি ধরনের কাজ থাকে অনলাইনে?
অনলাইনে হরেক রকম কাজ থাকে। যেমন- ডাটা এন্ট্রির কাজ, ফোটো এডিটিং, গ্রাফিক ডিজাইনিং, লোগো ডিজাইনিং, স্ক্রিপ্ট রাইটিং, ই-বুক বিল্ডিং, ট্রান্সিলেশন, ওয়েব ডিজাইনিং, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, এস ই ও এর কাজ, ভার্চুয়েল অ্যাসিস্ট্যান্ট এর কাজ, আরো কত কি।
কাজ গুলি কোথায় কিভাবে পাওয়া যায়?
অনলাইনে কাজ পাওয়ার জন্য আমাদের বাইরে ছোটা ছুটির প্রয়োজন পড়ে না। বাড়িতে বসেই কাজের সন্ধান চালিয়ে যেতে পারি। বাস্তব জীবনে বিভিন্ন পত্র পত্রিকা, যেমন আনন্দ বাজার পত্রিকা, কর্মক্ষেত্র, পেশা প্রবেশ ইত্যাদির মত পত্রিকা গুলিতে চাকরি বা কাজের সন্ধান পেয়ে থাকি। সে ক্ষেত্রে চাকরিদাতারা তাদের কাজের বিজ্ঞাপন দেন, আর আমরা অর্থাৎ চাকরি প্রার্থীরা সেই বিজ্ঞাপন দেখে চাকরির জন্য বা কাজের জন্য আবেদন করি।
অনলাইনের কাজের ক্ষেত্রেও রয়েছে প্রায় একই ব্যাবস্থা। এ ক্ষেত্রে চাকরিদাতা বা ক্লায়েন্টরা তাদের কাজের বিজ্ঞাপন অনলাইনে কতগুলি সাইটে প্রকাশ করেন, যেগুলিকে বলা হয় অনলাইন মার্কেটপ্লেস। এই মার্কেটপ্লেস গুলি হল মূলত কতগুলি ওয়েব সাইট। যেমন - upwork.com,   elance.com,   freelance.com,   freelancer.in peopleperhour,  ইত্যাদি। ফ্রিল্যান্সার বা চাকরি প্রার্থীরা এই মার্কেটপ্লেসের বিজ্ঞাপন দেখে কাজের জন্য আবেদন জানায়।
এই মার্কেটপ্লেস সাইটগুলিতে দুই ধরনের অ্যাকাউন্ট খোলা যায়। এর মধ্যে একটি হল ফ্রিল্যান্সার বা ওয়ার্কার অ্যাকাউন্ট এবং অন্যটি হল বায়ার বা ক্লায়েন্ট অ্যাকাউন্ট। বায়ার বা ক্লায়েন্টরা কাজ দিয়ে থাকেন এবং ফ্রিল্যান্সাররা সেই কাজ করেন। মার্কেটপ্লেস গুলি ফ্রিল্যান্সারদের কাজের সন্ধান দেওয়ার সাথে সাথে ক্লায়েন্ট ও ফ্রিল্যান্সারদের মধ্যে নিরাপদ যোগা যোগ তৈরী করার পাশা পাশি ফ্রিল্যান্সারদের পেমেন্টের ব্যাপারেও নিরাপত্তা দেয়।
এই ধরনের ফ্রিল্যান্সিং job এর জন্য কি করতে হবে?
ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ করার জন্য আপনাকে প্রথমেই কোনো বিশ্বস্ত মার্কেটপ্লেসে আপনার নাম নথিভুক্ত (Registration) করতে হবে, এবং আপনি কি কি কাজ জানেন সেই সমস্ত তথ্য দিয়ে নিজের প্রফাইল তৈরী করতে হবে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই নথিভূক্তিকরন বিন্যমূল্যেই হয়। এর পর প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে প্রোফাইলটিকে সাইট কর্তৃপক্ষের দ্বারা approve করিয়ে নিতে হয়। প্রোফাইল approve হয়ে গেলেই কাজের জন্য আবেদন জানানো যায়।
আরো বিস্তারিত জানার জন্য আমাদের সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আমাদের Facebook পেজে গিয়ে পেজটি লাইক করুন।
এছাড়া আপনার মূল্যবান মতামত Guestbook এ লিখে জানান।


চলুন ঘুরে আসি রহস্যময় Black Web এর দুনিয়ায়।
  Nandalal Sarkar (নন্দলাল সরকার)   (Date - 10/05/2015)
Deep Web এর দুনিয়ায় কিছুক্ষন।।
ওয়েব সার্চ করতে গিয়ে আমরা অনেক সময় অবাক হয়ে যাই যে সত্যিই এতো এতো তথ্য আছে এই Web এর জালে? তবে আপনি আরো অবাক হবেন যখন জানবেন যে এই সাধারন ওয়েবের তথ্য ভান্ডার, যেগুলি আমরা সাধারন ওয়েব ব্রাউজার (যেমন - Google Chrome, Firefox বা UC Browser) দ্বারা সার্চ করে পেয়ে থাকি তার আড়ালে রয়েছে আরো আরো অনেক বড় তথ্য ভান্ডার। সেই তথ্য ভান্ডারকে সহজে আমরা সাধারন ব্রাউজার দ্বারা Access করতে পারিনা। আড়ালে থাকা এই বৃহৎ তথ্য ভান্ডারকে বলা হয় Deep Web বা Black Web. অনেক সময় একে Hidden Web ও বলা হয়। মজার কথা হল ইন্টারনেটের মোট তথ্য ভান্ডারের 90% ই হল Deep Web এর তথ্য।Tor নামক এক বিশেষ সফটওয়্যারের সাহায্যে এই নামবিহীন Deep Web এর সাথে যোগা যোগ স্থাপন করা যায়।
Tor এর সম্পূর্ন নাম হল The Onion Router । এই Tor প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি করা হয়েছে Tor Browser বা Tor Portal, যার দ্বার এই Deep Web এ প্রবেশ করা যায়। এই Tor Browser ব্যাবহারকারীর তথ্যকে এমনভাবে গোপন করে বা encrypt করে যে তার তথ্য ট্র্যাক করা প্রায় অসম্ভব। তবে এই Deep Web এ প্রবেশ করা এমন কিছু জটিল ব্যাপারও নয়। Deep Web এ প্রবেশ করতে হলে আপনাকে প্রথমেই Tor Browser Download করতে হবে। আপনি চাইলে এখান থেকেও ডাউনলোড করতে পারেন। ব্রাউজারটি ডাউনলোড করে Install করার পর রান করলে দেখতে পাবেন ব্রাউজারের address বারের কাছে পেঁয়াজের মতো একটি লোগো দেওয়া আছে। এর পর Tor Network এ লগইন করার পর Deep Web এ প্রবেশ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে সাধারন ওয়েবের মত কোন কিছু খুঁজে পাওয়া যাবে না। কারন এখানে Google, Yahoo বা Bing এর মত কোন সার্চ-ইঞ্জিন নেই যে মুহুর্তের মধ্যে আপনাকে বিভিন্ন সাইটের খোঁজ এনে দেবে। প্রযুক্তিগত কারনে Deep Web এর তথ্যকে সার্চ ইঞ্জিন দ্বারা Cataloged বা সূচীকৃত (Indexed) করা যায় না। তাই সার্চ-ইঞ্জিনের পরিবর্তে Deep Web এর জন্য কিছু Wikis বা BBS আছে যেগুলি আপনাকে Deep Web এর URL গুলির সন্ধান দেবে। এক্ষত্রে Tor Browser এর সার্চ বারে Deep Web URL লিখে সার্চ করে দেখতে পারেন। তবে মনে রাখবেন এই সব Wiki তে সমস্ত URL সক্রিয় নাও থাকতে পারে। এই URL বা domain গুলির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল এগুলির extension হিসেবে .com এর পরিবর্তে .onion থাকবে।আর হ্যাঁ Deep Web সার্চ করতে হলে আপনার ইন্টারনেটের স্পীড ভাল থাকতে হবে।
এখন আপনার নিশ্চই জানতে ইচ্ছে হচ্ছে যে কি থাকে এই Deep Web এর সাইটে? এক কথায় বলতে গেলে Deep Web এর বেশীর ভাগ অংশই Illegal বা অবৈধ বিষয় দ্বারা পরিপূর্ন। যেমন - অবৈধ ভাবে গান, সিনেমা বা ভিডিও কিভাবে ডাউনলোড করা যায়, কিভাবে মাদক দ্রব্য অর্ডার দেওয়া যায়, এছাড়া বেআইনি অস্ত্রের হদিশ, সন্ত্রাসবাদী, ভাড়া করা হত্যাকারী, শিশু পর্নোগ্রাফি, Prostitutes, চুরি করা ক্রেডিট কার্ড বিক্রি, ATM Card ক্লোন করা ইত্যাদির মত নানা রকম খোঁজ খবর। এই সমস্ত কারনে Deep Web মূলত Black Market এ পরিনত হয়েছে। মাদক দ্রব্য কেনা বেচা, সোনা দানা, হিরের গোপন কারবারীদের কাছে Silk Road, একটি জনপ্রিয় মার্কেট-প্লেস। Deep Web এর এই বেআইনি লেনদেন গুলি মূলত Digital মূদ্রা Bitcoin এর মাধ্যমে সঞ্চালিত হয়ে থাকে। এই লেনদেন গুলি সম্পূর্ন বেনামী হয়।
তবে Deep Web এর সমস্ত সাইটগুলিই যে অনৈতিক কাজের সাথে যুক্ত তা নয়। যেমন, Julian Assange এর বিখ্যাত WikiLeaks সাইটটি Deep Web এই প্রথম আত্বপ্রকাশ করেছিল, বর্তমানে তা সাধারন ওয়েবের অংশ।
আজ এই পর্যন্ত থাকলো। যদি আপনাদের ভালো লাগে তাহলে Guestbook লিখে জানাবেন। পরবর্তী কালে আরো অনেক অজানা তথ্য আপনাদের সামনে নিয়ে আসবো। 
[ Disclaimer: এই অংশের লিখিত বিষয়-বস্তুর বেশীর ভাগই wikipedia থেকে সংগৃহীত।]